Top News

Soulmate history

 একটা ছোট্ট গ্রামে, নদীর ধারে সবুজে ঘেরা পরিবেশে, নিশাত আর রায়হানের প্রথম দেখা হয়। নিশাত শহরের মেয়ে, গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছিল ছুটি কাটাতে। রায়হান ছিল গ্রামের ছেলে, মাটি আর প্রকৃতির সঙ্গে মিশে থাকা একজন সহজ-সরল মানুষ।


একদিন বিকেলে নদীর পাড়ে হেঁটে বেড়ানোর সময় নিশাত হঠাৎ করেই নদীর ধারে বসে থাকা রায়হানকে দেখতে পায়। রায়হানের শান্ত মুখ, প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা আর নিঃস্বার্থতার প্রকাশ তাকে আকর্ষণ করে। তাদের কথা শুরু হয় খুব সাধারণভাবে, কিন্তু দুজনের মধ্যেই একটা অদ্ভুত মিল ছিল, যা তারা তখনো পুরোপুরি বুঝতে পারেনি।


কয়েকদিন পর, নিশাত আবার নদীর পাড়ে হাঁটতে গেলে রায়হানের সঙ্গে দেখা হয়। এইবার তারা গভীর আলাপ শুরু করে, এবং দুইজনই আবিষ্কার করে যে তারা যেন একে অপরের কথা আগে থেকেই জানতো। তাদের স্বপ্ন, আশা, ভালোবাসা—সবই একে অপরের সঙ্গে মিলে যাচ্ছিল।


সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু নিশাতের ছুটির মেয়াদ শেষ হতে থাকে। তার মন ভারী হয়ে ওঠে শহরে ফিরে যাওয়ার কথা ভেবে। রায়হানের সঙ্গ তাকে যেন এক নতুন জীবনের স্বাদ দিয়েছিল, যা শহরের ব্যস্ত জীবনে কখনোই পায়নি। কিন্তু ভালোবাসা মানুষকে সাহস দেয়, আর নিশাত ঠিক করে ফেলে—সে রায়হানের সঙ্গে তার ভবিষ্যত গড়বে।


শহরে ফেরার দিন নিশাত রায়হানকে বলে, "তোমার সঙ্গে কাটানো সময়টা মনে হচ্ছিল যেন বহু যুগের অপেক্ষার পর তোমাকে খুঁজে পেয়েছি। তুমি আমার আত্মার সঙ্গী, আমার সত্যিকারের 'সোলমেট'।"


রায়হানও তার ভালোবাসা ব্যক্ত করে বলে, "আমাদের ভালোবাসা সময় বা দূরত্বের দ্বারা পরিমাপ করা যায় না। আমি জানি, তুমি আর আমি—আমাদের একে অপরের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে।"


এরপর তারা দুজনেই তাদের ভালোবাসার নতুন অধ্যায় শুরু করে, জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন